/*; } .etn-event-item .etn-event-category span, .etn-btn, .attr-btn-primary, .etn-attendee-form .etn-btn, .etn-ticket-widget .etn-btn, .schedule-list-1 .schedule-header, .speaker-style4 .etn-speaker-content .etn-title a, .etn-speaker-details3 .speaker-title-info, .etn-event-slider .swiper-pagination-bullet, .etn-speaker-slider .swiper-pagination-bullet, .etn-event-slider .swiper-button-next, .etn-event-slider .swiper-button-prev, .etn-speaker-slider .swiper-button-next, .etn-speaker-slider .swiper-button-prev, .etn-single-speaker-item .etn-speaker-thumb .etn-speakers-social a, .etn-event-header .etn-event-countdown-wrap .etn-count-item, .schedule-tab-1 .etn-nav li a.etn-active, .schedule-list-wrapper .schedule-listing.multi-schedule-list .schedule-slot-time, .etn-speaker-item.style-3 .etn-speaker-content .etn-speakers-social a, .event-tab-wrapper ul li a.etn-tab-a.etn-active, .etn-btn, button.etn-btn.etn-btn-primary, .etn-schedule-style-3 ul li:before, .etn-zoom-btn, .cat-radio-btn-list [type=radio]:checked+label:after, .cat-radio-btn-list [type=radio]:not(:checked)+label:after, .etn-default-calendar-style .fc-button:hover, .etn-default-calendar-style .fc-state-highlight, .etn-calender-list a:hover, .events_calendar_standard .cat-dropdown-list select, .etn-event-banner-wrap, .events_calendar_list .calendar-event-details .calendar-event-content .calendar-event-category-wrap .etn-event-category, .etn-variable-ticket-widget .etn-add-to-cart-block, .etn-recurring-event-wrapper #seeMore, .more-event-tag, .etn-settings-dashboard .button-primary{ background-color:
Loading Events

নৈঃশব্দে ৭১

সুন্দরম প্রযোজনা

লিখেছেনঃ আশিক সুমন
পরিচালনাঃ সামিউন জাহান দোলা

সুন্দরম

সুন্দরম প্রতিবন্ধীদের একটি সৃষ্টিশীল শিল্প চর্চা কেন্দ্র যা ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে দেশে ৮ টি বিভাগে আটটি সুন্দরম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা ও ময়মনসিংহে এখন প্রতিনিয়ত শারীরিক, দৃষ্টি ও বাক-শ্রবণপ্রতিবন্ধী মানুষ নানা প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে সৃষ্টিশীল কাজে নিয়োজিত।

ঢাকা থিয়েটার ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে প্রতিবন্ধী নাট্যচর্চা ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে শুরু হয় তারই ধারাবাহিকতার একটি পর্যায়ে সুন্দরম' এর জন্ম হয়। সুন্দরম'র মূল লক্ষ্য দেশের প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে মূলধারার সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রমে সংযুক্ত করা। এভাবে দূর হবে প্রতিবন্ধীদের সম্বন্ধে সমাজে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা ও ভাবনা। মেধা ও শারীরিক যোগ্যতানুযায়ী প্রতিবন্ধী শিল্পীদের নানা শাখায় প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের সৃষ্টিশীলতাকে বিকশিত হওয়ার পথ সুগম করা সুন্দরমের মূল লক্ষ্য।

রাষ্ট্র ও সামাজিক কাঠামো এখনো প্রতিবন্ধীবান্ধব নয়। দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে প্রতিবন্ধীদের সম্পর্কে সচেতন ও সহমর্মী করে তুলে সারাদেশে প্রতিবন্ধীবান্ধব সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা। এবং এ প্রক্রিয়ায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ তৈরি করা যেখানে মানুষের প্রতিবন্ধকতার ঊর্ধ্বে মানুষ শুধু মানুষ হিসেবে পরিণতি পাবে।

ব্রিটিশ কাউন্সিল

বিশ্বজুড়েই সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও শিক্ষার সুযোগ নিয়ে কাজ করে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক সংস্থা ব্রিটিশ কাউন্সিল। শিল্প, সংস্কৃতি, ইংরেজি ভাষা ও শিক্ষার মাধ্যমে আমরা যুক্তরাজ্যের জনগণের সাথে অন্যান্য দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ, বোঝাপড়া ও আস্থা স্থাপনে কাজ করি। অনলাইনে, ব্রডকাস্ট ও বিভিন্ন প্রকাশনার মাধ্যমে গত বছর আমরা সরাসরি ৮০ মিলিয়ন এবং সর্বোপরি ৭শ' ৯১ মিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছেছি। ১৯৩৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ কাউন্সিল রয়্যাল চার্টার ইউকে পাবলিক বডি দ্বারা পরিচালিত যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য সংস্থা। আমরা ১৫ শতাংশ অনুদান সহায়তা পাই যুক্তরাজ্য সরকার থেকে।

নির্দেশক

রমেশ মেয়াপ্পান

রমেশ মেয়্যাপ্পান গ্লাসগো-কেন্দ্রক একজন বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মঞ্চ নাট্যনির্মাতা। তিনি একইসঙ্গে ভিজ্ঞযুয়াল ও ফিজিক্যাল থিয়েটার স্টাইল সামঞ্জস্যের মাধ্যমে ব্যতিক্রমী উপস্থাপনা করে থাকেন। তিনি নিরীক্ষাধ্মী মঞ্চায়ন শৈলী নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন।

পরিচালকের কথা

২০২১ সালের ডিসেম্বরে আমি প্রথম বাংলাদেশে আসি। তখন আমাকে ইশারা ভাষায় বাংলাদেশের “সঠিক' নাম দেখানো হয়। ইশারা ভাষায় সকল নামেরই অর্থ থাকে, এইখানেও তার ব্যতিক্রম ছিলো না। ইশারার মাধ্যমে নামের অর্থ প্রকাশে যে আবেগটা কাজ করছিল সেই আবেগটাই যেনো ইতিহাসের এক পরিপূর্ণ পাঠ হিসেবে মনে ধরা দিয়েছিল | আমি '৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও মানুষের PRAT সম্পর্কে আগে তেমন কিছু জানতাম AT | তবে যাদের সাথে কাজ করছিলাম, মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলায় তাদের আগ্রহ ও এ বিষয়ে আরো গভীরভাবে জানার আগ্রহ দেখে আমি অবাক হইনি | এই দলটির উপস্থাপনা ১৯৭১-এর ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, দুর্ভোগ, গণহত্যা সকলকিছু সম্পর্কে তাদের বোঝাপড়ার বহিঃপ্রকাশ | তারা তুলে ধরতে চেয়েছে দ্বৈত বৈষম্যের শিকার বাঙালি নারীদের গল্প। যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মাধ্যমে ধর্ষণের শিকার হওয়ার পরে আবার নিজ সমাজের মানুষের দ্বারা হয়েছে বঞ্চিত। এই নারীরা যুদ্ধের সময়ে সবথেকে বড় নিগ্রহের নাট্যরূপ দেওয়ার মাঝে উদ্ভাবন এবং বিকাশের প্রক্রিয়া জুড়ে আবেগ দৃশ্যমান ছিল। এই দলটির কাছে বলার মতো একটি গল্প ছিল এবং আমরা যে নাট্যরূপ অন্বেষণ করতে পেরেছি, এর মাধ্যমে আমরা খুঁজে পেয়েছি তাদের অন্তরের বাণী আমরা যে শারীরিক গল্পকথনের চেষ্টা করেছি, তার শক্তি এখানে দৃশ্যমান। এই দলটি ভীষণ সাহসী | তারা ঝুঁকি নিতে পারে। একইসাথে একটি শক্তিশালী ধারা আয়ত্ব করে গল্পগুলো সম্পূর্ণরূপে উপস্থাপন করতে কঠোর পরিশ্রম করেছে। আমি ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং ঢাকা থিয়েটারকে ধন্যবাদ জানাই | এখানে, বাংলাদেশে (বিশ্বের অন্য জায়গার মতোই) বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের যে অনেক কিছু বলার আছে সে সুযোগগুলি এখনও যথাযথভাবে আছে বলে আমার মনে হয়নি | তবে আমি এই নাট্যদলের কাছ থেকে বুঝেছি যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে তাদের ধারণা দেয়া হয় যে সমাজে WT BT কোথায়। এই পর্যবেক্ষণের সাথেই আমি ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং ঢাকা থিয়েটারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই এরকম 'ঝুঁকি' নেওয়ার জন্য | মূল ভ্রোতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এরকম সাহসী পদক্ষেপের জন্য, এবং এই মানুষগ্জলোকে তাদের অধিকার আদায়ের জন্য এমন সুযোগ করে দেওয়ার জন্য | আমার আশা যে এখানে অনেকেই এই দলটিকে নতুন করে সচেতনতার সাথে দেখবেন, যেন তাদের যাত্রা অব্যাহত থাকে এবং তাদের কণ্ঠ সকলের কান পর্যন্ত পৌঁছায় (এবং দৃশ্যমান হয়)।

নাট্যগল্প

নৈঃশব্দে ৭১

নৈঃশব্দ্যে ’৭১ এক ধরনের নির্বাক থিয়েটার যেখানে যুদ্ধের আগে বাংলাদেশ কেমন ছিল,কীভাবে যুদ্ধ শুরু হয় এবং যুদ্ধের পরিণতির গল্প তুলে ধরার মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাসমঞ্চায়িত হয়। নাটকটি মঞ্চায়নের ¶েত্রে ‘ফিজিক্যাল স্টোরিটেলিং’ কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। ফিজিক্যাল স্টোরিটেলিং অনেকাংশেই একপ্রকার বিমূর্ত ধারা যা প্রচলিত মঞ্চায়ন শৈলী থেকে আলাদা এবং এ ধরনের গল্পকথনে 'ইম্প্রোভাইজেসশনাল' নাট্যধারার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। নৈঃশব্দে '৭১ নাটকটিতে নির্দিষ্ট কোনো সংলাপ ছিল না। তাই নিরীক্ষাধর্মী নাটকে এই শিল্পীদের ইশারার মাধ্যমে অভিনয়ে কাহিনি তুলে ধরা হয়। বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিল্পীরা নিবেদিতভাবে বিশেষ অভিনয় শৈলীর মাধ্যমে নাটকটি মঞ্চায়ন করেন। নৈঃশব্দে '৭১ মঞ্চায়নের ক্ষেত্রে মঞ্চে বিভিন্ন অভিনয়শৈলীর মাধ্যমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীদের দক্ষতা তুলে ধরা হয়েছে, যা দেশের মঞ্চায়নের প্রেক্ষাপটে বেশ ব্যতিক্রম এবং আমাদের থিয়েটার অঙ্গনে যুক্ত করেছে নতুন মাত্রা।

মঞ্চে

মোর্শেদ মিয়া
রাব্বি মিয়া
রুনা পারভীন
মোঃ দেলোয়ার হোসেন
নুর মোহাম্মদ
লাভলী খাতুন
পলাশ কুমার
মোঃ রাজু আহমেদ
মোঃ তৌনিক চৌধুরী
অধিকাংশ বর্ষা খাতুন
আরিফ আবদুল্লাহ
মোঃ ওসমান উল্লাহ
রুমানা আক্তার
মোঃ সাহাদাত সারোয়ার
মোঃ জসিম উদ্দিন খান

নেপথ্যে

পরিচালক : রমেশ মেয়াপ্পান
সহকারী পরিচালক : এশা ইউসুফ, রফিকুল ইসলাম, সৌদ চৌধুরী
লাইট ডিজাইন : ওয়াসিম আহমেদ
মিউজিক ও সাউন্ড ডিজাইন : আরিফ আবদুল্লাহ, ওয়াহিদ আনসার হিল্লোল
পোশাক : এনাম সাকি তারা
প্রপস : ওয়াহিদ আনসার হিল্লোল

Follow Us

Get The Latest Updates

About Us

Follow Us

সুন্দরম © 2026. All rights reserved.

bn_BDBengali